সেফটি ফার্স্ট

যে জীবনকে টিকিয়ে রাখার জন্য এত কর্ম এত কারসাজি সেই কর্ম সম্পন্ন করতে যদি জীবনকেই ঝুঁকির মুখে পড়তে হয়। তবে এমন কর্মের উপকার কি? পৃথিবীর উন্নত দেশ গুলো যে বিষয়টিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় তা হল নিরাপত্তা। আমরাও তাদের মত উন্নত হতে চায় কিন্তু, তারা যে বিষয়টিতে অধিক গুরুত্ব দেয় আমরা সে বিষয়েই একেবারেই এড়িয়ে চলি। আমাদের নিকট জীবনের নিরাপত্তা স্থান পায় লিস্টের শেষ লাইনে । প্রত্যেকটি কাজের শুরুতে একশ ভাগ নিরাপত্তাই হল ঐ কাজের প্রথম কাজ হওয়া উচিত।

 

যদি আপনি কায়িক শ্রম করে থাকেন তবে আপনাকে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ওই কাজে আপনি কতটা সুরক্ষিত। আর যদি আপনি সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইত্যাদি কাজ করে থাকেন তবে অবশ্যই আপনাকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে যে কোন ধরনের কাজে আপনি বিপদে পড়তে পারেন।

এ অধ্যায়ে নির্মাণ কাজের ব্যাক্তিগত সুরক্ষা অর্থাৎ PPE ( Personal Protective Equipment) এবং সুরক্ষার কাজে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ও তার যথাযথ ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

নির্মাণ কাজের নিরাপত্তা,

“নির্মাণ কাজ শুরু করার পূর্বে সকল প্রকার শারীরিক ক্ষতির হাত থেকে নিজেকে শতভাগ সুরক্ষিত নিশ্চিত করে নির্বিঘ্নে কাজ করার প্রস্তুতি গ্রহন করাকে নির্মাণ কাজের নিরাপত্তা বলে।

অর্থাৎ, কাজের শুরুতেই শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

কথায় আছে “সেফটি ফার্স্ট” অর্থাৎ প্রথমে নিরাপত্তা। এই কথাটিতে মালিক শ্রমিক সহ নির্মাণ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। আপনি কাজ করছেন কেন? নিশ্চয়ই সুন্দর সুশৃংখল ভাবে জীবন যাপন করার উদ্দেশ্যে।

ভুলে গেলে চলবে না আপনি দেশের একটি জাতীয় সম্পদ। একটি দুর্ঘটনা আপনাকে দেশের জাতীয় বোঝা বানাতে সক্ষম। প্রতিটি মানুষের সাথে সম্পৃক্ত তার পরিবার, তার সমাজ, তার দেশ ও তার দেশের অর্থনীতি। আপনি ক্ষতিগ্রস্ত মানে আপনার পরিবার, আপনার সমাজ, আপনার দেশ এবং দেশের অর্থনীতি সবই ক্ষতিগ্রস্ত।

সারাবিশ্বে প্রতিবছর কঠোর নিরাপত্তাহীনতায় হাজার হাজার নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। আর বাংলাদেশে এর হার যেকোনো দেশের তুলনায় তা নজির বিহীন ভাবে বেশি। কারণ, বাংলাদেশে শতকরা ৯০ ভাগ নির্মাণ কাজে শ্রমিকের ব্যাক্তিগত নিরাপত্তায় নির্মাণ কর্তৃপক্ষ উদাসীন। সরকারি প্রজেক্ট গুলি নিরাপত্তা আইন কঠোরভাবে মেনে চললেও বেসরকারী প্রজেক্ট গুলি তা ঢিলেঢালা। আমাদের দেশের শ্রমিকরা না বুঝে অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে।

একটি বিষয় লক্ষ্য করলে দেখা যায় নির্মাণ কাজের সাথে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত মানুষের বিশালাকার একটি অংশ নিরক্ষর। তাদের বেশির ভাগ লোকই জানে না সেফটি ফার্স্ট জিনিসটি আসলে কি। কিন্তু, পরোক্ষভাবে জড়িত শিক্ষিত ব্যক্তির সংখ্যাও কম নয়। যারা নির্মাণ কাজ পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে শতভাগ নিরাপত্তার দায়িত্বটা আসলে কর্তৃপক্ষকেই নিতে হয়।

একটি দায়িত্ববান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করে নিরাপত্তা ঝুঁকি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে পারে। যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি অনেকাংশেই এড়ানো সম্ভব।

– প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সেফটি ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেয়া।

– লেবার মিস্ত্রিদের কাজের পূর্বে সেফটি সংক্রান্ত বিষয়ে সতর্ক করে হাতে কলমে বুঝিয়ে দেওয়া।

– সেফটি যন্ত্রপাতি পর্যাপ্ত পরিমাণ সাইটে রাখা।

– সেফটি যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।

– নিয়মিত কর্মস্থল সুপারভিশন করা।

– সেফটি অমান্যকারীর জন্য শাস্তির বিধান রাখা।

– শতভাগ নিরাপত্তা না মানলে প্রয়োজনে কাজ বন্ধ রাখা।

 

ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য যে সকল যন্ত্রপাতি সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় তা নিম্নরূপ:

১। সেফটি হেলমেট

২। সেফটি সু

৩। হ্যান্ড গ্লাভস

৪। সেফটি বেল্ট

৫। এয়ার প্লাগ

৬। সেফটি গগলস

৭। সেফটি মাস্ক

৮। সেফটি এ্যপ্রোন

 

 

১। সেফটি হেলমেট:

কনস্ট্রাকশন কাজের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সেফটি যন্ত্র হল সেফটি হেলমেট। কনস্ট্রাকশন কাজ চলাকালীন যেকোনো দুর্ঘটনায় শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ মাথাকে রক্ষা করে। উপর থেকে কোন বস্তু পড়ে যেন সরাসরি মাথায় আঘাত করতে না পারে এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সেফটি হেলমেট। এটি শক্তিশালী প্লাস্টিক ও এ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হয়ে থাকে। কনস্ট্রাকশন কাজে সাধারণত ভালোমানের প্লাস্টিকের তৈরি হেলমেটই বেশি ব্যবহৃত হয়। হেলমেট বিভিন্ন রংয়ের হয়ে থাকে। তবে নির্মাণ কাজের জন্য হলুদ ও সাদা রঙের হেলমেট ব্যবহার করা হয়। হলুদ রংয়ের হেলমেট লেবার মিস্ত্রীদের জন্য আর ফোরম্যান ইঞ্জিনিয়ার সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য সাদা রঙের হেলমেট ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চাইলে নিজেদের মতো করে ব্যবহার করতে পারে।

 

ব্যবহার বিধি:

সেফটি হেলমেট ব্যবহার খুবই সহজ। দুই পাশে দুটি বেল্ট থাকে এবং বেল্টের সাথে দুটি হুক লাগানো থাকে। থুতনির নিচ দিয়ে ঘুরিয়ে হুক আটকালেই ঝামেলা শেষ। ইচ্ছে করলে বেল্টটি ছোট বড় করতে পারবেন।

 

সতর্কতা:

কনস্ট্রাকশন সাইটে ঢোকার পূর্বে সবাইকে হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।

 

২। সেফটি সু:

কনস্ট্রাকশন কাজের ক্ষেত্রে সবসময় নিচের দিকে তাকিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। ফলে যেকোন সময় পায়ে আঘাত লেগে যেতে পারে। তাই সেফটি জুতার গুরুত্ব অপরিসীম। কনস্ট্রাকশন সাইটে নিচে রাখা ভারী ভারী মালামাল ও যন্ত্রপাতি আঘাত থেকে পা কে রক্ষা করার জন্যই সেফটি সু ব্যবহার করা হয়। সেফটি সু পরে সাইটে নির্বঘ্নে চলাচল করা যায়। সেফটি সু খাঁটি চামড়ার তৈরি হয়ে থাকে। এবং অন্যান্য জুতার চাইতে ভিন্ন। অন্যান্য সাধারণ জুতার চাইতে ওজনে একটু বেশি। আঘাত থেকে পায়ের আঙ্গুলকে নিরাপদ রাখার জন্য জুতার সামনে স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। যেকোন জুতার চাইতে এটা টেকসই, মজবুত এবং অধিক নিরাপদ। বাজারে বিভিন্ন কম্পানির সেফটি সু পেয়ে যাবেন। ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে পছন্দ মত বেছে নিতে পারেন।

 

ব্যবহার বিধি:

সাধারণ ফিতা বাঁধা জুতার মতই ফিতা বেঁধে ব্যবহার করা হয়। তবে ভিতরে একটি মোটা কাপড়ের মোজা ব্যবহার করতে হবে নাহলে পায়ে ফোস্কা পড়তে পারে।

 

সতর্কতা:

সেফটি সু ছাড়া কনস্ট্রাকশন সাইটে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা আবশ্যক।

 

৩। হ্যান্ড গ্লাভস:

কনস্ট্রাকশন সাইটে যারা প্রত্যক্ষ ভাবে কাজ করে যেমন – লেবার, মিস্ত্রী ফোরম্যান তাদের জন্য হ্যান্ড গ্লাভস অত্যন্ত জরুরি। ভারি ভারি যন্ত্রপাতি মালামাল যেমন- রড, এ্যাংগেল,শীট, ইট, পাথর ইত্যাদি সবসময় তাদের হাত দিয়ে ধরতে হয়। যন্ত্রপাতি ও মালামালের আঘাত থেকে হাতকে রক্ষা করার জন্যই মূলত হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করা হয়। যন্ত্র পরিচালনা ও অন্যান্য কাজ করার সময় কেটে যাওয়া, ছিড়ে যাওয়ার হাত থেকে হাতকে নিরাপদ রাখতেই হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করতে হয়। মোটা কাপড়, রেক্সিন, রাবার ও চামড়ার তৈরি হ্যান্ড গ্লাভস পাওয়া যায়। কাজের সাথে তুলনা করে যে অনুযায়ী হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করা হয়। একটু হেভি ডিউটির জন্য ভালো মানের রেক্সিন অথবা চামড়ার তৈরি হ্যান্ড গ্লাভস উপযোগী।

 

ব্যবহার বিধি:

এটা ব্যবহার করা একেবারেই সহজ। সাধারণ হাত মোজার মতই এটা ব্যবহার করা যায়।

 

সতর্কতা:

হ্যান্ড গ্লাভস ব্যতিত ভারী যন্ত্রপাতি ও মালামালের কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

 

৪। সেফটি বেল্ট:

পৃথিবীতে যত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম কাজ হল কনস্ট্রাকশন। এই কাজে পদে পদে ঝুঁকি এবং জীবন নাশের সংকেত দেয়। সেটা যদি হয় উচ্চতম স্থানের কোন কাজ তবে সেই ঝুঁকি দ্বিগুণ হয়ে যায়। যেমন উঁচু ভবন, টাওয়ার ইত্যাদির কাজ। উঁচু স্থানে কাজ করার সময় যদি সেফটি নিশ্চিত না করা হয় তবে পড়ে গিয়ে অঙ্গহানি কিংবা প্রাণহানির মত দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তাই উঁচু স্থানে কাজ করার সময় দুর্ঘটনা ঝুঁকি এড়াতে সেফটি বেল্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেফটি যন্ত্র। বলা হয় ছয় ফুট উঁচুতে অর্থাৎ ম্যান হাইটের উপরে কাজ করতে হলে অবশ্যই সেফটি বেল্ট ব্যবহার করা প্রয়োজন। সেফটি বেল্ট ব্যবহার করে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া দূর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। সেফটি বেল্ট শক্ত চামড়া ও বেশ মোটা দড়ি দিয়ে তৈরি এবং ওজনে কিছুটা ভারী।

 

ব্যবহার বিধি:

বেশিরভাগ বেল্ট সাধারণ বেল্টের মতই হুক লাগিয়ে কোমরে বাঁধা হয়। তবে ক্যাটাগরি অনুযায়ী কিছু বেল্ট কোমর ও কাঁধের উপর দিয়েও বাঁধা হয়। কাজের স্থানে আপনার ভার বহন করতে পারে এমন স্থানে দড়ির মাথায় থাকা হুকটি বেঁধে ব্যবহার করতে হবে। যে বস্তুর সাথে হুক লাগাবেন সেই বস্তু যেন অবশ্যই আপনার ভারবহন করতে সক্ষম হয়।

 

সতর্কতা:

সেফটি বেল্ট ছাড়া উপরের সকল কাজ নিষিদ্ধ করা।

 

৫। এয়ার প্লাগ:

নির্মাণ কাজ মানেই সেখানে শব্দ দূষণ হবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ কনস্ট্রাকশন কাজের বেশিরভাগ অংশ এখন বড় বড় মেশিন দ্বারা সম্পন্ন করা হয়। এই সব মেশিন ও যন্ত্রপাতি চলাকালীন প্রচুর শব্দ উৎপন্ন হয়। যা মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণোত্তর শব্দের চাইতে অনেক বেশী। এই শব্দের কারণে ধীরে ধীরে মানুষের শ্রবণ শক্তি হ্রাস পায়। মস্তিষ্কেরও অনেক ক্ষতি হয়। এই অতিরিক্ত শব্দের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এয়ার প্লাগ ব্যবহার করা হয়। এয়ার প্লাগ ব্যবহারের ফলে অতিরিক্ত বাহ্যিক শব্দ কানে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে। এটা দেখতে মোবাইলের এয়ার ফোনের মত এবং প্লাগের মুখে একটা রাবারের গার্ড দেয়া থাকে যা শব্দ প্রবেশে বাঁধা সৃষ্টি করে।

 

ব্যবহার বিধি:

এটার ব্যবহার মোবাইলের এয়ার ফোনের ন্যায়।

 

সতর্কতা:

যন্ত্রপাতি পরিচালনা করার সময় অবশ্যই এয়ার প্লাগ ব্যবহার করতে হবে।

 

৬। সেফটি গগলস:

চোখ শরীরের একটি অতি সংবেদনশীল অঙ্গ। একটি ছোট্ট বালি কণারও আঘাত সহ্য করতে পারে না। আর কনস্ট্রাকশন সাইটে তো একেবারে ধূলা বালির সমারোহ। এই ধূলা বালির হাত থেকে চোখ কে নিরাপদ রাখতে ব্যবহার করা হয় সেফটি গগলস বা নিরাপদ চশমা। এই গগলস সাদা কিংবা রঙিন দুই হতে পারে। এটি সাধারণ চশমার চেয়ে মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী। কখন কোন কাজ করবেন সে অনুযায়ী রঙিন ও সাদা রঙের গগলস ব্যবহার করা হয়। যেমন – ওয়েল্ডিং করার সময় কালো রঙের গগলস ব্যবহার করা হয়। অনেক স

 

ব্যবহার বিধি:

অন্যান্য চশমার মতই ব্যবহার করা হয়।

 

সতর্কতা:

সাইটে কাজ করার সময় অবশ্যই নিরাপদ চশমা ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

 

৭। সেফটি মাস্ক:

কন্সট্রাকশন কাজ চলবে আর সেখানে ডাস্ট থাকবে না তা কি হয়। কনস্ট্রাকশনের প্রতিটি কাজই কিছু না কিছু ডাস্ট উৎপন্ন করে। এই ডাস্ট নাকের ভিতর ঢুকে ফুস ফুস ক্ষতিগ্রস্ত করে। ঠান্ডা জাতীয় এলার্জি এই উড়ন্ত ময়লার জন্য হয়ে থাকে। এই ময়লার কারণে ধীরে ধীরে শ্বাসকষ্টের মত জটিল সমস্যার সৃষ্টি করে। এই উড়ন্ত ধূলি কণার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যই নাকে মাস্ক ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন স্তরে জীবাণু ফিল্টারিং করে অক্সিজেন সরবরাহ করাই মাস্কের প্রধান কাজ। বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাস্ক পাওয়া যায়। একটি ভালোমানের মাস্ক আপনাকে জীবাণু মুক্ত অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে।

 

ব্যবহার বিধি:

সাধারণত কানের সাথে লাগিয়ে ব্যবহার করতে হয়। কিছু মাস্ক ঘাড়ের সাথে বেঁধেও ব্যবহার করা হয়।

 

সতর্কতা:

সাইটে কর্মরত সকল লেবার মিস্ত্রীকে মাস্ক ব্যবহারে সতর্ক করা।

 

৮। সেফটি এপ্রোন:

শরীর ও পোশাককে ধূলা বালির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এপ্রোন ব্যবহার করা হয়। তবে এই এপ্রোন বিশেষ ভাবে কম্পানির পরিচয় বহনের ভূমিকাও রাখে। বিভিন্ন রংয়ের এপ্রোন ভিন্ন ভিন্ন দলকে চিহ্নিত করে। এটি এক ধরনের পিচ্ছিল পলিয়েস্টার কাপড় দিয়ে তৈরি। ফুলহাতা এবং হাফহাতা দুই ধরনেরই এপ্রোন পাওয়া যায়। তবে সম্পূর্ণ শরীর আচ্ছাদিত করা যায় এমন এপ্রোনও ব্যবহার হয়ে থাকে।

 

ব্যবহার বিধি:

সাধারণ পোশাকের মত বোতাম, চেইন ও হুক লাগিয়ে খুব সহজেই ব্যবহার যায়।

 

সতর্কতা:

সাইটে কাজের সময় সকলকে এপ্রোন ব্যবহারে নিশ্চিত করা।

 

জীবিকার তাগিদে অবশ্যই কিছু না কিছু কাজ আপনাকে করতেই হবে। তবে যে কাজই করেন না কেন তার জন্য শরীরের নিরাপত্তার দিকে প্রথম দৃষ্টি দিতে হবে।

মনে রাখবেন,

# জীবিকার জন্য জীবন বর্জন নয়, জীবনের জন্যই জীবিকা অর্জন।

 

Related Post: Five star hotel in bangladesh – Civil Experience

সিভিল এক্সপেরিয়েন্স এর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল. সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকুন. Civil Experience

Leave a Comment

error: Content is protected !!